রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২০, ০১:০১ অপরাহ্ন

জুমার দিনের ফজিলত

জুমার দিন মুসলমানদের জন্য শ্রেষ্ঠ এবং ফাজিলতপূর্ন একটা দিন। এই পবিত্র জুমার দিনের কারণে উম্মতে মুসলিমা অন্য উম্মতগুলোর আগে জান্নাতে যাবে।
আবু হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমরা শেষে এসেছি কিন্তু কেয়ামতের দিন সকলের আগে থাকবো। যদিও অন্য সকল জাতিগুলো (ইহুদী ও খৃষ্টান) কে গ্রন্থ দেয়া হয়েছে আমাদের পূর্বে, আমাদের গ্রন্থ দেয়া হয়েছে তাদের পরে। অতঃপর জেনে রাখো এই (জুমার) দিনটি আল্লাহ আমাদের দান করেছেন।
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন “মুমিনের জন্য জুম’আর দিন হল সাপ্তাহিক ঈদের দিন।”-[ইবনে মাজাহ;১০৯৮]
তিনি এ ব্যাপারে আমাদের সঠিক পথে দিশা দিয়েছেন। আর অন্য লোকেরা এ ব্যাপারে আমাদের পিছনে আছে। ইহুদীরা জুমার পরের দিন (শনিবার) উদযাপন করে আর খৃষ্টানেরা তার পরের দিন (রোববার) উদযাপন করে। (বর্ণনায়: বুখারী ও মুসলিম)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, ‘যে ব্যক্তি জুমার দিনে গোসল করে রওনা হয় এবং ইমামের অতি নিকটে বসে চুপচাপ খুতবা শোনে,সে প্রতি পদক্ষেপে এক বছর রোযা রাখার এবং এক বছর রাতে কিয়াম করার নেকী পায়। আর এটা আল্লাহর জন্য বড় সহজ ব্যাপার।’ -আহমদ;নাসায়ী;তিরিমিযি (সহিহ)।
রাসুল (সা.) বলেন, ‘এ দিন আদম (আ.) কে সৃষ্টি করা হয়েছে। এ দিনেই তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছে এবং জান্নাত থেকে তাকে বের করা হয়েছে।’ (মুসলিম)।
এর আরেকটি ফজিলত, এ দিনে আল্লাহ তার দ্বীনকে পরিপূর্ণ করেছেন। ইহুদি এক ব্যক্তি ওমর (রা.) কে বলল, হে আমিরুল মোমিনিন! আপনাদের কিতাবে একটি আয়াত আছে। যদি তা আমাদের ওপর অবতীর্ণ হতো; তাহলে তাকে আমরা ঈদের দিন হিসেবে উদযাপন করতাম।
রাসুল (সা.) বলেন, ‘জুমার দিনে প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্কের ওপর গোসল আবশ্যক এবং মেসওয়াক ও যথাসম্ভব সুগন্ধি ব্যবহার করা।’ (বোখারি ও মুসলিম)।
তিনি বললেন, সেটি কোন আয়াত? সে বলল, ‘আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করে দিলাম, তোমাদের প্রতি আমার অবদান সম্পূর্ণ করে দিলাম এবং ইসলামকে তোমাদের জন্য দ্বীন হিসেবে পছন্দ করলাম।’ (সূরা মায়িদা : ৩)।
ওমর (রা.) বললেন, ‘এটি নাজিল হওয়া দিনের কথা আমি জানি। যে স্থানে এটি অবতীর্ণ হয়েছে, সেটিও আমি জানি। এটি জুমার দিন রাসুল (সা.) এর ওপর আরাফার ময়দানে অবতীর্ণ হয়েছে।’ (বোখারি ও মুসলিম)।
আল্লাহর এরশাদ, ‘তারা তথায় যা চাইবে; তাই পাবে এবং আমার কাছে আছে আরও বেশি।’ (সূরা ক্বাফ : ৩৫)। আনাস (রা.) বলেন, ‘তাদের তথা জান্নাতবাসীদের জন্য আল্লাহ প্রত্যেক জুমার দিনে প্রকাশ হবেন।’ এটি সৌন্দর্য ও সাজসজ্জা অবলম্বনের দিন।
জুমার দিনে মর্যাদা বৃদ্ধি ও গোনাহ মাফ হওয়ার ঘোষণা রয়েছে। রাসুল (সা.) বলেন, ‘পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ এবং এক জুমা থেকে অন্য জুমা মাঝের সব গোনাহকে মাফ করে দেয়; যতক্ষণ পর্যন্ত সে কবিরা গোনাহে লিপ্ত না হয়।’ (মুসলিম)। রাসুল (সা.) বলেন, ‘নিশ্চয়ই জুমার দিন এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে, সে সময়টিতে একজন মুসলমান যে কল্যাণের দোয়া করবে, অবশ্যই আল্লাহ তাকে তা দান করবেন।’ (মুসলিম)।
আর এটি আসরের একেবারে শেষ সময়। রাসুল (সা.) বলেন, ‘তোমরা আসরের পরে একবারে শেষ সময়ে দোয়া কর।’ (আবু দাউদ)।
ইমাম আহমদ (রহ.) বলেন, ‘অধিকাংশ হাদিস জুমার দিন আসরের পরে দোয়া কবুলের আকাঙ্খার প্রমাণ। আর কেয়ামত দিন এক ভয়াবহ দিন। যা এ দিনেই ঘটবে।
রাসুল (সা.) বলেন, ‘কেয়ামত জুমার দিন সংঘটিত হবে।’ (মুসলিম)। এ দিনে বনি আদম ছাড়া সব সৃষ্টি আতঙ্কে থাকে, না জানি কেয়ামত সংঘটিত হয়ে যায়।
রাসুল (সা.) বলেন, ‘পৃথিবীতে জুমার দিন বনি আদম ছাড়া সব প্রাণী কেয়ামত হয়ে যাওয়ার ভয়ে সূর্য উদিত হওয়া পর্যন্ত কান পেতে থাকে।’ (নাসাঈ)।
জুমার দিনের ফজিলত মোমিনের জন্য জান্নাত পর্যন্ত বিস্তৃত। জান্নাতে তাদের জন্য সবচেয়ে বড় নেয়ামত হলো, আল্লাহর দর্শন লাভ। প্রত্যেক জুমায় আল্লাহ তাদের সঙ্গে দেখা করবেন। আর এটিই হলো জান্নাতে বাড়তি নেয়ামত।

জুমার দিন মুসলমানদের জন্য শ্রেষ্ঠ এবং ফাজিলতপূর্ন একটা দিন। এই পবিত্র জুমার দিনের কারণে উম্মতে মুসলিমা অন্য উম্মতগুলোর আগে জান্নাতে যাবে।
আবু হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমরা শেষে এসেছি কিন্তু কেয়ামতের দিন সকলের আগে থাকবো। যদিও অন্য সকল জাতিগুলো (ইহুদী ও খৃষ্টান) কে গ্রন্থ দেয়া হয়েছে আমাদের পূর্বে, আমাদের গ্রন্থ দেয়া হয়েছে তাদের পরে। অতঃপর জেনে রাখো এই (জুমার) দিনটি আল্লাহ আমাদের দান করেছেন।
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন “মুমিনের জন্য জুম’আর দিন হল সাপ্তাহিক ঈদের দিন।”-[ইবনে মাজাহ;১০৯৮]
তিনি এ ব্যাপারে আমাদের সঠিক পথে দিশা দিয়েছেন। আর অন্য লোকেরা এ ব্যাপারে আমাদের পিছনে আছে। ইহুদীরা জুমার পরের দিন (শনিবার) উদযাপন করে আর খৃষ্টানেরা তার পরের দিন (রোববার) উদযাপন করে। (বর্ণনায়: বুখারী ও মুসলিম)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, ‘যে ব্যক্তি জুমার দিনে গোসল করে রওনা হয় এবং ইমামের অতি নিকটে বসে চুপচাপ খুতবা শোনে,সে প্রতি পদক্ষেপে এক বছর রোযা রাখার এবং এক বছর রাতে কিয়াম করার নেকী পায়। আর এটা আল্লাহর জন্য বড় সহজ ব্যাপার।’ -আহমদ;নাসায়ী;তিরিমিযি (সহিহ)।
রাসুল (সা.) বলেন, ‘এ দিন আদম (আ.) কে সৃষ্টি করা হয়েছে। এ দিনেই তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছে এবং জান্নাত থেকে তাকে বের করা হয়েছে।’ (মুসলিম)।
এর আরেকটি ফজিলত, এ দিনে আল্লাহ তার দ্বীনকে পরিপূর্ণ করেছেন। ইহুদি এক ব্যক্তি ওমর (রা.) কে বলল, হে আমিরুল মোমিনিন! আপনাদের কিতাবে একটি আয়াত আছে। যদি তা আমাদের ওপর অবতীর্ণ হতো; তাহলে তাকে আমরা ঈদের দিন হিসেবে উদযাপন করতাম।
রাসুল (সা.) বলেন, ‘জুমার দিনে প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্কের ওপর গোসল আবশ্যক এবং মেসওয়াক ও যথাসম্ভব সুগন্ধি ব্যবহার করা।’ (বোখারি ও মুসলিম)।
তিনি বললেন, সেটি কোন আয়াত? সে বলল, ‘আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করে দিলাম, তোমাদের প্রতি আমার অবদান সম্পূর্ণ করে দিলাম এবং ইসলামকে তোমাদের জন্য দ্বীন হিসেবে পছন্দ করলাম।’ (সূরা মায়িদা : ৩)।
ওমর (রা.) বললেন, ‘এটি নাজিল হওয়া দিনের কথা আমি জানি। যে স্থানে এটি অবতীর্ণ হয়েছে, সেটিও আমি জানি। এটি জুমার দিন রাসুল (সা.) এর ওপর আরাফার ময়দানে অবতীর্ণ হয়েছে।’ (বোখারি ও মুসলিম)।
আল্লাহর এরশাদ, ‘তারা তথায় যা চাইবে; তাই পাবে এবং আমার কাছে আছে আরও বেশি।’ (সূরা ক্বাফ : ৩৫)। আনাস (রা.) বলেন, ‘তাদের তথা জান্নাতবাসীদের জন্য আল্লাহ প্রত্যেক জুমার দিনে প্রকাশ হবেন।’ এটি সৌন্দর্য ও সাজসজ্জা অবলম্বনের দিন।
জুমার দিনে মর্যাদা বৃদ্ধি ও গোনাহ মাফ হওয়ার ঘোষণা রয়েছে। রাসুল (সা.) বলেন, ‘পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ এবং এক জুমা থেকে অন্য জুমা মাঝের সব গোনাহকে মাফ করে দেয়; যতক্ষণ পর্যন্ত সে কবিরা গোনাহে লিপ্ত না হয়।’ (মুসলিম)। রাসুল (সা.) বলেন, ‘নিশ্চয়ই জুমার দিন এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে, সে সময়টিতে একজন মুসলমান যে কল্যাণের দোয়া করবে, অবশ্যই আল্লাহ তাকে তা দান করবেন।’ (মুসলিম)।
আর এটি আসরের একেবারে শেষ সময়। রাসুল (সা.) বলেন, ‘তোমরা আসরের পরে একবারে শেষ সময়ে দোয়া কর।’ (আবু দাউদ)।
ইমাম আহমদ (রহ.) বলেন, ‘অধিকাংশ হাদিস জুমার দিন আসরের পরে দোয়া কবুলের আকাঙ্খার প্রমাণ। আর কেয়ামত দিন এক ভয়াবহ দিন। যা এ দিনেই ঘটবে।
রাসুল (সা.) বলেন, ‘কেয়ামত জুমার দিন সংঘটিত হবে।’ (মুসলিম)। এ দিনে বনি আদম ছাড়া সব সৃষ্টি আতঙ্কে থাকে, না জানি কেয়ামত সংঘটিত হয়ে যায়।
রাসুল (সা.) বলেন, ‘পৃথিবীতে জুমার দিন বনি আদম ছাড়া সব প্রাণী কেয়ামত হয়ে যাওয়ার ভয়ে সূর্য উদিত হওয়া পর্যন্ত কান পেতে থাকে।’ (নাসাঈ)।
জুমার দিনের ফজিলত মোমিনের জন্য জান্নাত পর্যন্ত বিস্তৃত। জান্নাতে তাদের জন্য সবচেয়ে বড় নেয়ামত হলো, আল্লাহর দর্শন লাভ। প্রত্যেক জুমায় আল্লাহ তাদের সঙ্গে দেখা করবেন। আর এটিই হলো জান্নাতে বাড়তি নেয়ামত।

জুমার দিন মুসলমানদের জন্য শ্রেষ্ঠ এবং ফাজিলতপূর্ন একটা দিন। এই পবিত্র জুমার দিনের কারণে উম্মতে মুসলিমা অন্য উম্মতগুলোর আগে জান্নাতে যাবে।
আবু হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমরা শেষে এসেছি কিন্তু কেয়ামতের দিন সকলের আগে থাকবো। যদিও অন্য সকল জাতিগুলো (ইহুদী ও খৃষ্টান) কে গ্রন্থ দেয়া হয়েছে আমাদের পূর্বে, আমাদের গ্রন্থ দেয়া হয়েছে তাদের পরে। অতঃপর জেনে রাখো এই (জুমার) দিনটি আল্লাহ আমাদের দান করেছেন।
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন “মুমিনের জন্য জুম’আর দিন হল সাপ্তাহিক ঈদের দিন।”-[ইবনে মাজাহ;১০৯৮]
তিনি এ ব্যাপারে আমাদের সঠিক পথে দিশা দিয়েছেন। আর অন্য লোকেরা এ ব্যাপারে আমাদের পিছনে আছে। ইহুদীরা জুমার পরের দিন (শনিবার) উদযাপন করে আর খৃষ্টানেরা তার পরের দিন (রোববার) উদযাপন করে। (বর্ণনায়: বুখারী ও মুসলিম)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, ‘যে ব্যক্তি জুমার দিনে গোসল করে রওনা হয় এবং ইমামের অতি নিকটে বসে চুপচাপ খুতবা শোনে,সে প্রতি পদক্ষেপে এক বছর রোযা রাখার এবং এক বছর রাতে কিয়াম করার নেকী পায়। আর এটা আল্লাহর জন্য বড় সহজ ব্যাপার।’ -আহমদ;নাসায়ী;তিরিমিযি (সহিহ)।
রাসুল (সা.) বলেন, ‘এ দিন আদম (আ.) কে সৃষ্টি করা হয়েছে। এ দিনেই তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছে এবং জান্নাত থেকে তাকে বের করা হয়েছে।’ (মুসলিম)।
এর আরেকটি ফজিলত, এ দিনে আল্লাহ তার দ্বীনকে পরিপূর্ণ করেছেন। ইহুদি এক ব্যক্তি ওমর (রা.) কে বলল, হে আমিরুল মোমিনিন! আপনাদের কিতাবে একটি আয়াত আছে। যদি তা আমাদের ওপর অবতীর্ণ হতো; তাহলে তাকে আমরা ঈদের দিন হিসেবে উদযাপন করতাম।
রাসুল (সা.) বলেন, ‘জুমার দিনে প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্কের ওপর গোসল আবশ্যক এবং মেসওয়াক ও যথাসম্ভব সুগন্ধি ব্যবহার করা।’ (বোখারি ও মুসলিম)।
তিনি বললেন, সেটি কোন আয়াত? সে বলল, ‘আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করে দিলাম, তোমাদের প্রতি আমার অবদান সম্পূর্ণ করে দিলাম এবং ইসলামকে তোমাদের জন্য দ্বীন হিসেবে পছন্দ করলাম।’ (সূরা মায়িদা : ৩)।
ওমর (রা.) বললেন, ‘এটি নাজিল হওয়া দিনের কথা আমি জানি। যে স্থানে এটি অবতীর্ণ হয়েছে, সেটিও আমি জানি। এটি জুমার দিন রাসুল (সা.) এর ওপর আরাফার ময়দানে অবতীর্ণ হয়েছে।’ (বোখারি ও মুসলিম)।
আল্লাহর এরশাদ, ‘তারা তথায় যা চাইবে; তাই পাবে এবং আমার কাছে আছে আরও বেশি।’ (সূরা ক্বাফ : ৩৫)। আনাস (রা.) বলেন, ‘তাদের তথা জান্নাতবাসীদের জন্য আল্লাহ প্রত্যেক জুমার দিনে প্রকাশ হবেন।’ এটি সৌন্দর্য ও সাজসজ্জা অবলম্বনের দিন।
জুমার দিনে মর্যাদা বৃদ্ধি ও গোনাহ মাফ হওয়ার ঘোষণা রয়েছে। রাসুল (সা.) বলেন, ‘পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ এবং এক জুমা থেকে অন্য জুমা মাঝের সব গোনাহকে মাফ করে দেয়; যতক্ষণ পর্যন্ত সে কবিরা গোনাহে লিপ্ত না হয়।’ (মুসলিম)। রাসুল (সা.) বলেন, ‘নিশ্চয়ই জুমার দিন এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে, সে সময়টিতে একজন মুসলমান যে কল্যাণের দোয়া করবে, অবশ্যই আল্লাহ তাকে তা দান করবেন।’ (মুসলিম)।
আর এটি আসরের একেবারে শেষ সময়। রাসুল (সা.) বলেন, ‘তোমরা আসরের পরে একবারে শেষ সময়ে দোয়া কর।’ (আবু দাউদ)।
ইমাম আহমদ (রহ.) বলেন, ‘অধিকাংশ হাদিস জুমার দিন আসরের পরে দোয়া কবুলের আকাঙ্খার প্রমাণ। আর কেয়ামত দিন এক ভয়াবহ দিন। যা এ দিনেই ঘটবে।
রাসুল (সা.) বলেন, ‘কেয়ামত জুমার দিন সংঘটিত হবে।’ (মুসলিম)। এ দিনে বনি আদম ছাড়া সব সৃষ্টি আতঙ্কে থাকে, না জানি কেয়ামত সংঘটিত হয়ে যায়।
রাসুল (সা.) বলেন, ‘পৃথিবীতে জুমার দিন বনি আদম ছাড়া সব প্রাণী কেয়ামত হয়ে যাওয়ার ভয়ে সূর্য উদিত হওয়া পর্যন্ত কান পেতে থাকে।’ (নাসাঈ)।
জুমার দিনের ফজিলত মোমিনের জন্য জান্নাত পর্যন্ত বিস্তৃত। জান্নাতে তাদের জন্য সবচেয়ে বড় নেয়ামত হলো, আল্লাহর দর্শন লাভ। প্রত্যেক জুমায় আল্লাহ তাদের সঙ্গে দেখা করবেন। আর এটিই হলো জান্নাতে বাড়তি নেয়ামত।

জুমার দিন মুসলমানদের জন্য শ্রেষ্ঠ এবং ফাজিলতপূর্ন একটা দিন। এই পবিত্র জুমার দিনের কারণে উম্মতে মুসলিমা অন্য উম্মতগুলোর আগে জান্নাতে যাবে।
আবু হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমরা শেষে এসেছি কিন্তু কেয়ামতের দিন সকলের আগে থাকবো। যদিও অন্য সকল জাতিগুলো (ইহুদী ও খৃষ্টান) কে গ্রন্থ দেয়া হয়েছে আমাদের পূর্বে, আমাদের গ্রন্থ দেয়া হয়েছে তাদের পরে। অতঃপর জেনে রাখো এই (জুমার) দিনটি আল্লাহ আমাদের দান করেছেন।
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন “মুমিনের জন্য জুম’আর দিন হল সাপ্তাহিক ঈদের দিন।”-[ইবনে মাজাহ;১০৯৮]
তিনি এ ব্যাপারে আমাদের সঠিক পথে দিশা দিয়েছেন। আর অন্য লোকেরা এ ব্যাপারে আমাদের পিছনে আছে। ইহুদীরা জুমার পরের দিন (শনিবার) উদযাপন করে আর খৃষ্টানেরা তার পরের দিন (রোববার) উদযাপন করে। (বর্ণনায়: বুখারী ও মুসলিম)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, ‘যে ব্যক্তি জুমার দিনে গোসল করে রওনা হয় এবং ইমামের অতি নিকটে বসে চুপচাপ খুতবা শোনে,সে প্রতি পদক্ষেপে এক বছর রোযা রাখার এবং এক বছর রাতে কিয়াম করার নেকী পায়। আর এটা আল্লাহর জন্য বড় সহজ ব্যাপার।’ -আহমদ;নাসায়ী;তিরিমিযি (সহিহ)।
রাসুল (সা.) বলেন, ‘এ দিন আদম (আ.) কে সৃষ্টি করা হয়েছে। এ দিনেই তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছে এবং জান্নাত থেকে তাকে বের করা হয়েছে।’ (মুসলিম)।
এর আরেকটি ফজিলত, এ দিনে আল্লাহ তার দ্বীনকে পরিপূর্ণ করেছেন। ইহুদি এক ব্যক্তি ওমর (রা.) কে বলল, হে আমিরুল মোমিনিন! আপনাদের কিতাবে একটি আয়াত আছে। যদি তা আমাদের ওপর অবতীর্ণ হতো; তাহলে তাকে আমরা ঈদের দিন হিসেবে উদযাপন করতাম।
রাসুল (সা.) বলেন, ‘জুমার দিনে প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্কের ওপর গোসল আবশ্যক এবং মেসওয়াক ও যথাসম্ভব সুগন্ধি ব্যবহার করা।’ (বোখারি ও মুসলিম)।
তিনি বললেন, সেটি কোন আয়াত? সে বলল, ‘আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করে দিলাম, তোমাদের প্রতি আমার অবদান সম্পূর্ণ করে দিলাম এবং ইসলামকে তোমাদের জন্য দ্বীন হিসেবে পছন্দ করলাম।’ (সূরা মায়িদা : ৩)।
ওমর (রা.) বললেন, ‘এটি নাজিল হওয়া দিনের কথা আমি জানি। যে স্থানে এটি অবতীর্ণ হয়েছে, সেটিও আমি জানি। এটি জুমার দিন রাসুল (সা.) এর ওপর আরাফার ময়দানে অবতীর্ণ হয়েছে।’ (বোখারি ও মুসলিম)।
আল্লাহর এরশাদ, ‘তারা তথায় যা চাইবে; তাই পাবে এবং আমার কাছে আছে আরও বেশি।’ (সূরা ক্বাফ : ৩৫)। আনাস (রা.) বলেন, ‘তাদের তথা জান্নাতবাসীদের জন্য আল্লাহ প্রত্যেক জুমার দিনে প্রকাশ হবেন।’ এটি সৌন্দর্য ও সাজসজ্জা অবলম্বনের দিন।
জুমার দিনে মর্যাদা বৃদ্ধি ও গোনাহ মাফ হওয়ার ঘোষণা রয়েছে। রাসুল (সা.) বলেন, ‘পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ এবং এক জুমা থেকে অন্য জুমা মাঝের সব গোনাহকে মাফ করে দেয়; যতক্ষণ পর্যন্ত সে কবিরা গোনাহে লিপ্ত না হয়।’ (মুসলিম)। রাসুল (সা.) বলেন, ‘নিশ্চয়ই জুমার দিন এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে, সে সময়টিতে একজন মুসলমান যে কল্যাণের দোয়া করবে, অবশ্যই আল্লাহ তাকে তা দান করবেন।’ (মুসলিম)।
আর এটি আসরের একেবারে শেষ সময়। রাসুল (সা.) বলেন, ‘তোমরা আসরের পরে একবারে শেষ সময়ে দোয়া কর।’ (আবু দাউদ)।
ইমাম আহমদ (রহ.) বলেন, ‘অধিকাংশ হাদিস জুমার দিন আসরের পরে দোয়া কবুলের আকাঙ্খার প্রমাণ। আর কেয়ামত দিন এক ভয়াবহ দিন। যা এ দিনেই ঘটবে।
রাসুল (সা.) বলেন, ‘কেয়ামত জুমার দিন সংঘটিত হবে।’ (মুসলিম)। এ দিনে বনি আদম ছাড়া সব সৃষ্টি আতঙ্কে থাকে, না জানি কেয়ামত সংঘটিত হয়ে যায়।
রাসুল (সা.) বলেন, ‘পৃথিবীতে জুমার দিন বনি আদম ছাড়া সব প্রাণী কেয়ামত হয়ে যাওয়ার ভয়ে সূর্য উদিত হওয়া পর্যন্ত কান পেতে থাকে।’ (নাসাঈ)।
জুমার দিনের ফজিলত মোমিনের জন্য জান্নাত পর্যন্ত বিস্তৃত। জান্নাতে তাদের জন্য সবচেয়ে বড় নেয়ামত হলো, আল্লাহর দর্শন লাভ। প্রত্যেক জুমায় আল্লাহ তাদের সঙ্গে দেখা করবেন। আর এটিই হলো জান্নাতে বাড়তি নেয়ামত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *