সোমবার, ১২ এপ্রিল ২০২১, ০১:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাত্রির নৃশংস বর্বরতার চিত্র প্রদর্শনী ও প্রতিবাদ সভা করোনায় মৃত্যু-শনাক্ত বেড়েই চলেছে, আরও ৩০ প্রাণহানি কমনওয়েলথের শীর্ষ ৩ অনুপ্রেরণীয় নারী নেতৃত্বের তালিকায় শেখ হাসিনা ভারত-ইংল্যান্ড টেস্ট নিয়ে যা বললেন ইনজামাম অনন্ত-বর্ষার শতকোটি টাকার ছবি আসছে ঈদুল আজহায় ‌‘নেতাকর্মীদের সমাবেশে আসতে বাধা দিচ্ছে পুলিশ’ রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে বাধ্য নয় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন বিকেলে ৭ কলেজের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে জরুরি সভা চলছে নোয়াখালিতে সাংবাদিক হত্যার প্রতিবাদে আখাউড়ায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাত্রির নৃশংস বর্বরতার চিত্র প্রদর্শনী ও প্রতিবাদ সভা

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাত্রির নৃশংস বর্বরতার প্রতিবাদে বিবিএসএস ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের উদ্যোগে চিত্র প্রদর্শনী ও প্রতিবাদ সভার কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ ২০২১ ) সকালে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে সকাল ১০টা থেকে ১১ টা পর্যন্ত এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান তৌফিক আহমেদ তফছির। চিত্র প্রদর্শনী ও প্রতিবাদ সভার কর্মসূচিতে সংগঠনের মহসচিব ও গাজী টিভির প্রযোজক শফিকুল ইসলামের পরিচালনায় সংক্ষিপ্ত আলোচনায় অংশ নেন জাপান-বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট এসোসিয়েশনের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর নেওয়াজ শরিফ, ২১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আসাদুজ্জামান আসাদ, জাসদের কেন্দ্রীয় জনসংযোগ সম্পাদক মো: মহিউদ্দিন, আয়ামী লীগ নেতা এহসান আজিজ, জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা এমদাদুল হক ছালেক।
সভাপতির সমাপনী বক্তৃতায় তৌফিক আহমেদ তফছির বলেন, আজ ভয়াল ২৫ মার্চ। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি বর্বর হায়না দলের প্রথম হামলায় এদেশের অসংখ্য নিরীহ মানুষ প্রাণ হারায়। রাজধানী ঢাকার রাজারবাগ পুলিশ লাইন, ইপিআর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকার রাজপথসহ অসংখ্য জায়গায় নিরীহ মানুষের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এরপর ২৬ মার্চ দিবাগত রতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। পরবর্তিতে পাকিস্তানি বাহিনী বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে পাকিস্তানে নিয়ে কারাগারে নিক্ষেপ করে তাঁকে হত্যার প্রস্তুতি নিতে থাকে। আর এদিকে বাংলার মাটিতে শুরু হয় সশ্রস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতার সুধা পান করার আমৃত্যু লড়াইয়ে অংশ নেয় বাংলার আবাল বৃদ্ধ বনিতা। দীর্ঘ নয় মাস পাক হানাদান বাহিনীর সাথে সশস্ত্র লড়াই সংগ্রাম করে ২ লক্ষ মা-বোনের ইজ্জত আর ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা পাই গৌরবের স্বাধীনতা। আগামীকাল সেই স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তি। আমরা পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ সংগ্রাম করে মায়ের ভাষার সম্মান এবং একটি নতুন পতাকা ও সার্বভৌম দেশ পেয়েছি। কিন্তু আজও সেই পরাজয়ের গ্লানি পাকিস্তান ভুলতে পারিনি। তাই এখনও তারা তাদের দোসরদের দ্বারা এদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমতে আঘাত হানতে চায়।
আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপনের শপথ নিয়ে বলতে চাই যারা আমাদের অস্তিত্বে আঘাত আনার চেষ্টা এবং পরিকল্পনা করবে আমরা এদেশের মাটি থেকে তাদেরকে উৎখাত করবো। তারই পাশাপাশি বর্তমান সরকার তথা বঙ্গবন্ধু কন্যার কাছে দাবী রাখতে চাই বাঙালির শত্রু পাকিস্তান এবং তাদের দোসরদের সাথে কোন সমঝতা নয় বরং তাদের প্রতিরোধ করে তাদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করার ব্যবস্থা করুন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *