শনিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২১, ১১:৫৭ অপরাহ্ন

শরীয়তপুরে গরুর খামারের বিষাক্ত মলমূত্রের কারণে মৎস্য ঘেরের চাষের মাছ মারা গেছে

শরীয়তপুর প্রতিনিধি।
শরীয়তপুরে গরুর খামারের গরুর বিষাক্ত মলমূত্র ও খরকুটা পচা আবর্জনার কারণে মৎস্য ঘেরের চাষ করা মাছ মারা যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শরীয়তপুর পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের কানার বাজারসংলগ্ন খেলছি গ্রামের মৃত জাহের কার ছেলে মিশন খা বাণিজ্যিকভাবে মাছ চাষ করার জন্যএকটি মৎস্য ঘের তৈরি করেন। গত জুলাই মাসের পহেলা তারিখে ওই মৎস্য ঘেরে ৩০ মন রুই কাতলা মৃগেল মাছের পোনা অবমুক্ত করেন।
ওই একই এলাকার মৃত আরব আলী খার ছেলে গিয়াস উদ্দিন খাঁ (৫০)জোরপূর্বক ওই মৎস্য ঘেরের পাশেই বাণিজ্যিকভাবে একটি গরুর খামার তৈরি করেন। ওই গরুর খামারের প্রতিদিনের মলমূত্র খড় কুটা কচুরি পানা আবর্জনা পচা ঘাস ইত্যাদি ওই মাছের ঘেরে নিক্ষেপ করে। ওই খামারের গরুর মলমূত্র পচা ঘাস আবর্জনা ওই মাছের ঘেরে ফালানোর কারণে পুকুরে বিষাক্ত গ্যাস সৃষ্টি হয়ে পুকুরের পানি পচে যায় । ওই মৎস্য চাষের ঘেরের পানি পচে যাওয়ার কারণে ওই ঘেরের মাছ মরে ভেসে ওঠে। আজ ৩০ নভেম্বর ২০২০ সকাল আটটার দিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে ওই পুকুরে প্রায় দেড় থেকে দুই লক্ষ টাকার মাছ মরে ভেসে উঠেছে। ওই ঘেরের মালিক মিশন খা মাছ মরার দৃশ্য দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন। মিশন খা গণমাধ্যমকে বলেন আমি ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে এবং মৎস্য কর্মকর্তাদের পরামর্শ নিয়ে অনেক কষ্ট করে বড় একটি পুকুরে বাণিজ্যিকভাবে মাছ চাষ শুরু করি।ওই গরুর খামারের মালিক গিয়াস উদ্দিন খাঁ কে বারবার নিষেধ করা সত্ত্বেও সে আমার কোন কথাই মানছেন না বরং উল্টো আমাকে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে। শরীয়তপুর পৌরসভা 2 নং ওয়ার্ডের কমিশনার মোহাম্মদ সিদ্দিক শিকদার গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকারে বলেন মাছ মরার বিষয়টি আমি শুনেছি ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি ভালোভাবে দেখি। গরুর খামারের মালিক গিয়াস উদ্দিন খাঁ এর চাচা সাত্তার খান (৬৫) এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ গণমাধ্যমকে বলেন ওই গরুর খামারের মলমূত্র পচা আবর্জনা ফালানোর কারণেই ওই পুকুরের মাছ মারা গেছে। মৎস্য ঘেরের মালিক মিশন খা সাক্ষাৎকারে গণমাধ্যমকে বলেন ওই গরুর খামারের মালিক গিয়াস উদ্দিন খাঁ কে আসামি করে তার বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করি এবং আমি যাতে সঠিক বিচার পেতে পারি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *