শনিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২১, ১০:৫২ অপরাহ্ন

জেলা পর্যায়ে টানা তিন বারের পুরস্কার প্রাপ্ত ক্বারী হলেন হাফেজ ই.এম.আই.গাজ্জালী

স্টাফ রিপোর্টার:
চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর ১১ নং পশ্চিম ফতেপুর ইউনিয়ন পিতাঃ- এম,এম,এ,হান্নান ও মাতাঃ- হাস্নেয়ারা বেগম, রাঢ়ি কান্দি গ্রামের কৃতি সন্তান হাফেজ ক্বারী ই.এম.আই. গাজ্জালী। গত ২২ মে ২০১৭ সালে ইসলামিক ফাউন্ডেশন সভাকক্ষে শিক্ষা সপ্তাহ কেরাত প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে প্রথম স্থান অর্জন করায় ধারাবাহিক ভাবে ২০১৯ সাল পর্যন্ত সাড়ে পাচানি হোসাইনীয়া ফাজিল মাদ্রাসা থেকে (বর্তমানে ফাজিল ২-য় বর্ষের ছাত্র) প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে কেরাত প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করায় জেলা প্রশাসক থেকে সরকারি সার্টিফিকেট ও ক্রেস উপহার গ্রহন করেছেন হাফেজ, ক্বারী ই.এম.আই. গাজ্জালী চাঁদপুরী। হাফেজ ক্বারী ই.এম.আই. গাজ্জালী (মতলব উত্তর) কেরাত প্রতিযোগিতায় ২২-মে ২০১৭ রোজ সোমবার একাধিক হাফেজ ক্বারীদের পিছনে ফেলে প্রথম স্থান অর্জন করেন। এ ছাড়াও ১৭ মে ২০১৮ তে ২-য় পুরস্কার অর্জন ও ০৮ আগস্ট ২০১৯ সালে তৃতীয় পুরস্কার অর্জন এবং একাধিকবার আরো পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেন। হাফেজ ক্বারী ই.এম.আই. গাজ্জালী একজন মেধাবী ছাত্র, তিনি একাধিক মসজিদ ও মাদ্রাসার ছাত্রদের ওস্তাদ। এছাড়াও কোরআন হাদিসের আলোকে দেশের বিভিন্ন স্থানে ওয়াজ মাহফিলে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ও বয়ান করে থাকেন। ২০২০ বর্তমান সালে করোনা ভাইরাসের ভয়াবহ পরিস্থিতির কারনে প্রতিযোগিতা না হওয়ায় অংশ নিতে পারেননি বলে জানিয়েছেন। তবে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসলে সরকার কর্তৃক কেরাত প্রতিযোগিতার আয়োজন হলে শিক্ষা সপ্তাহ ২০২০-এ আবারও অংশ নিবে বলে জানিয়েছেন এই শিক্ষার্থী। বর্তমানে সাড়ে পাচানি ফাজিল মাদ্রাসায় ফাজিল ২-য় বর্ষে পড়াশোনার পাশাপাশি একটি মসজিদে ইমাম ও খতিবের দায়িত্ব পালন করছেন এই শিক্ষার্থী। জেলা পর্যায়ে পুরস্কার প্রাপ্ত এই ক্বারী বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতি মতলব উত্তর শাঁখার ধর্ম বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করছেন। বিশ্ব দরবারে চাঁদপুর জেলার ন্যায় সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক এ ধরনের প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করতে ইচ্ছুক এই শিক্ষার্থী। দেশের জনসাধারণ তাঁর দীর্ঘায়ু ও সার্বিক কল্যাণ কামনা করছে। আমরা হাফেজ ক্বারী ই.এম.আই. গাজ্জালীর সফলতা প্রত্যাশা করছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *