শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২০, ০১:১০ অপরাহ্ন

সীতাকুন্ডে প্রকৌশলী পলাশের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও ঘুঁষ বানিজ্যের নিউজ প্রকাশিত হওয়ায় বিভিন্ন সংবাদপত্রের বিরুদ্ধে প্রকৌশলী পলাশের বিষ্পোরক মন্তব্য

সীতাকুন্ড প্রতিনিধিঃ
ভুতের মুখে রাম রাম, চোরের নাকি বড় গলা সেই প্রতিপাদ্য-কে সত্যতা রুপ এনে দিল দুর্নীতিবাজ বিদ্যুৎ প্রকৌশলী পলাশ। তার বিরুদ্ধে অনিয়ম,দুর্নীতিসহ ঘুঁষ বানিজ্যের অভিযোগ উঠায় বেশকিছু গুরুত্বপুর্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকা ও অনলাইন পত্রিকায় তার বিরুদ্ধে সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে নিউজ প্রকাশিত হয়েছে। এভাবে শতশত অভিযোগের উপর ভর করে টিকে আছে এ প্রকৌশলী।
নানা অপকর্ম করা সত্বেও অদৃশ্য খুঁটির জোরে এখনো বহাল রয়েছে। দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দাতা কারা! এমন প্রশ্ন ভুক্তভুগি মানুষ ও সচেতন মহলের।
তার এসব অনিয়ম, দুর্নীতি ও ঘুঁষের প্রকাশিত সংবাদ এর প্রতিবাদের নামে সংবাদপত্র ও সাংবাদিকদের দুস্কৃতিকারীসহ পত্রিকার বিরুদ্ধে বিষ্পোরক, বাজে শব্দ ব্যবহার করেছে। অথচ সংবাদ পত্রে সঠিক ও তথ্য ভিত্তিক নিউজ প্রকাশিত হওয়ার ফলে জনমনে সস্তি ফেরার পাশাপাশি পলাশের মত দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলীদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী জানান সচেতন মহল ও ভুক্তভুগি জনসাধারন।
এ ঘটনাগুলোর সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর সর্বমহলে জড় তুলেছে এবং ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশও ঘটেছে। এমন পরিস্থিতিতে সে নিজেকে ঘুঁষখোর, দুর্নীতিবাজ নয় সাধু প্রমাণ করতে, সত্য ঘটনাকে আড়াল করার জন্য একটি পত্রিকায় মোটা অংকের টাকা খরচ করে সেই সংবাদের প্রতিবাদ দেয়।
কিন্তু অসংখ্য সাক্ষী প্রমান ও প্রকাশিত সংবাদ ভুল ও অসত্য প্রমান করতে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদের নামে সংবাদপত্র ও সাংবাদিক সমাজকে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে সীতাকুন্ডের সাংবাদিকদের নামে বাজেও অশ্লীল ভাষা চয়নের মাধ্যমে প্রতিবাদ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
সংবাদপত্র ও সাংবাদিক সমাজের নামে কুরুচিপুর্ন মন্তব্য অশ্লীল শব্দ, অসম্মানজনক উক্তি এবং উদ্দেশ্যে প্রণোদিতভাবে হেয় প্রতিপন্ন করায় তীব্র নিন্দা জানিয়ছেন সীতাকুন্ড সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো: খায়রুল ইসলাম, সীতাকুন্ড অনলাইন জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম বিএসসি ও কর্মরত সাংবাদিকরা।
উল্লেখ যে, গ্রাহক হয়রানিসহ ঘুষ বানিজ্যের অভিযোগ উঠেছে সীতাকুন্ডের বাড়বকুন্ড বিদ্যুৎ বিতরন বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী পলাশের বিরুদ্ধে। তিনি চুাকরিতে যোগদানের পর বিদ্যুৎতে নানা হয়রানি শুরু হওয়ায় অভিযোগ তুলেছেন বিদ্যুৎ বিতরন বিভাগের অতিষ্ট গ্রাহকরা। এছাড়াও সরকারী কাজের বিনিময়ে মোটা অংকের অর্থ আদায়েরও অভিযোগও উঠে তার বিরুদ্ধে। এমন শত শত অভিযোগের পাহাড় বেঁধেছে ভুক্তভুগি গ্রাহকদের। এ পরিস্থিতিতে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট অভিযোগ প্রদান করা হলেও নেই প্রশাসনিক ব্যবস্থা। ফলে অবস্থার পরিবর্তন না হওয়ায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে সর্বসাধারনের মাঝে। প্রকাশ থাকে যে, প্রকৌশলীর নামে বহু অভিযোগের ভিত্তিতে জাতীয় স্থানীয় ও অনলাইন পত্রিকায় নানা শিরোনামে নিউজ হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *